মূল বিষয়বস্তুতে যান
Knowledge Base

Frequently Asked Questions

Answers to common questions about ক্রিকেট ভক্ত.

01

ক্রিকেট ভক্ত কি প্রতিষ্ঠানটি লাইসেন্সযুক্ত এবং নিয়ন্ত্রিত?

+

হ্যাঁ, ক্রিকেট ভক্ত কুরাকাও ই-গেমিং কর্তৃক লাইসেন্সপ্রাপ্ত এবং নিয়ন্ত্রিত। লাইসেন্স নম্বর 1234/JOI এর অধীনে প্রতিষ্ঠানটি সর্বোচ্চ নিরাপত্তা মান বজায় রাখে। নিয়ন্ত্রক সংস্থা প্রতি মাসে অডিট পরিচালনা করে এবং খেলোয়াড়ের তহবিল পৃথক আলাদা রাখা হয়।

02

ক্রিকেট ভক্ত-এ প্রথম জমা দেওয়ার সময় কোন উপায়ে টাকা জমা করা যায়?

+

ক্রিকেট ভক্ত-এ জমা করতে Visa, Mastercard, Skrill, Neteller, ecoPayz এবং সরাসরি ব্যাংক ট্রান্সফার ব্যবহার করা যায়। ক্রিপ্টোকারেন্সি (BTC, ETH, USDT) দিয়েও জমা করা যায় এবং এতে কোনো ন্যূনতম সীমা নেই। জমা প্রক্রিয়া সাধারণত তাৎক্ষণিক সম্পন্ন হয়, তবে ব্যাংক ট্রান্সফারে ২-৩ কর্মদিবস লাগতে পারে।

03

ক্রিকেট ভক্ত-এ স্বাগত বোনাসের শর্ত কী?

+

নতুন সদস্যদের জন্য ক্রিকেট ভক্ত ১০০% স্বাগত বোনাস প্রদান করে, সর্বোচ্চ ১০,০০০ টাকা পর্যন্ত। বোনাসের উপর ৩৫x লিখিত (wagering) প্রয়োজনীয়তা রয়েছে, যা শুধুমাত্র বোনাসের পরিমাণে প্রযোজ্য। বোনাস দাবি করার ৩০ দিনের মধ্যে এই প্রয়োজনীয়তা পূরণ করতে হবে, অন্যথায় বোনাস বাতিল হয়ে যাবে।

04

একটি ম্যাচ বাতিল হলে ক্রিকেট ভক্ত-এ আমার বাজির ফলাফল কী হবে?

+

যদি কোনো ক্রিকেট ম্যাচ আনুষ্ঠানিকভাবে বাতিল হয় এবং খেলা শুরুর আগেই স্থগিত হয়, তাহলে ওই বাজির স্টেক সম্পূর্ণ ফেরত দেওয়া হয়। যদি খেলা শুরুর পরে বাতিল হয়, তবে ক্রিকেট ভক্ত-এর নিয়ম অনুযায়ী যদি ১০ ওভারের কম সম্পন্ন হয় তাহলে বাজি অবিলম্বে বাতিল করা হয় এবং স্টেক ফেরত দেওয়া হয়। ১০ ওভার বা তার বেশি সম্পন্ন হলে ফলাফল চূড়ান্ত ধরা হয় এবং বাজির নিষ্পত্তি হয়।

05

আমি ক্রিকেট ভক্ত-এ একাধিক অ্যাকাউন্ট খুলতে পারি কি?

+

ক্রিকেট ভক্ত-এ একই ব্যক্তির একাধিক অ্যাকাউন্ট খোলা সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ। একাধিক অ্যাকাউন্ট শনাক্ত হলে সমস্ত অ্যাকাউন্ট স্থগিত করা হতে পারে এবং জমা করা তহবিল বাজেয়াপ্ত হতে পারে। এই নীতি প্রতারণা ও অর্থ পাচার রোধে প্রয়োগ করা হয়।

06

ক্রিকেট ভক্ত-এ আমার ব্যক্তিগত তথ্য সুরক্ষিত রাখতে কী ব্যবস্থা নেওয়া হয়?

+

ক্রিকেট ভক্ত সর্বোচ্চ ২৫৬-বিট SSL এনক্রিপশন ব্যবহার করে আপনার ব্যক্তিগত ও আর্থিক তথ্য সুরক্ষিত রাখে। অতিরিক্ত নিরাপত্তার জন্য দুই-ধাপে যাচাইকরণ (2FA) সক্রিয় করা যায় এবং প্রতিটি লেনদেনে KYC (Know Your Customer) যাচাইকরণ প্রয়োজন হয়। এই ব্যবস্থাগুলো নিশ্চিত করে যে শুধুমাত্র অ্যাকাউন্ট মালিকই তথ্যে প্রবেশ করতে পারেন।